১৯৪৮ সালে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার পর ঘরবাড়ি থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করা হয়। এরপর থেকে এ দিনটিকে বিপর্যয়ের দিবস হিসেবে প্রতি বছর স্মরণ করে ফিলিস্তিনিরা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আদেশ অনুসারে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই দিবসটি উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতিসংঘ। গত বছরের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৭৫ তম নাকাবা দিবসটি পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় নিউ ইয়র্ক সদর দপ্তরে নাকাবার ৭৫ তম বার্ষিকী উদযাপন করা হবে।”
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এ দিবস উপলক্ষে বলেন, “আমাদের অবশ্যই নাকাবা দিবসকে স্মরণ করতে হবে। শুধু তাই নয় এ দিবস সম্পর্কে বিশ্ববাসীকেও জানাতে হবে।”
উল্লেখ্য; নাকবা একটি আরবি শব্দ, যার বাংলা অর্থ বিপর্যয়। এ বিপর্যয় বলতে ফিলিস্তিনিরা মূলত ১৯৪৭-১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণকে বোঝায়। এ সময়ের মধ্যে ফিলিস্তিনের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়। এছাড়াও দখল করে নেওয়া হয় ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনের ৭৮ ভাগ জায়গা। ধ্বংস করা হয় ফিলিস্তিনের ৫৩০টি গ্রাম। বিভিন্ন জায়গায় মোট ৭০ টি গণহত্যা চালানো হয়। এতে ১৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি মারা যায়।
সূত্র: টিআরটি











