তেহরানে শাহাদাত বরণকারী পিতার গুপ্তহত্যার ধরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশ করলেন শহীদ ইসমাইল হানিয়ার পুত্র আব্দুস সালাম হানিয়া।
আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তার পিতার গুপ্তহত্যায় গাইডেড মিসাইল ব্যবহৃত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আব্দুস সালাম হানিয়া বলেন, বিস্ফোরণটি ছিলো গাইডেড মিসাইলের যা তার (বাবার) মোবাইল ট্র্যাক করেছিলো। রাতে সরাসরি আঘাত হানা রুমটিতে মাথার কাছে মোবাইল রেখে তিনি বিশ্রাম করছিলেন।
বিভিন্ন মিডিয়ায় ‘আগ থেকে বিস্ফোরক পুঁতে রাখার’ যে খবর প্রচার হয় তিনি তা ভুল বলে দাবী করেন। দাবীর স্বপক্ষে তিনি বলেন, সেই রাতে তার রুম থেকে কয়েক মিটারের দুরত্বে তার অন্যান্য দেহরক্ষী ও উপদেষ্টা মণ্ডলী অবস্থান করছিলেন। তাই এটা স্পষ্ট যে, এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস থাকলে পুরো জায়গাটিই উড়ে যেতো। মূলত মোবাইলের কারণেই বাবা সহজ নিশানায় পরিণত হোন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক মোবাইল সাথে রাখাটা বাবার হত্যাকারীদের অভিযানকে সহজ করে দেয়। এছাড়া বাবা সেদিন ক্রমাগত ফোন ব্যবহার করে যাচ্ছিলেন। এমনকি শহীদ হওয়ার কিছুক্ষণ পূর্বে রাত ১০:১৫ মিনিটেও তিনি ফোন ব্যবহার করেছিলেন।
উল্লেখ্য, হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া ও তার দেহরক্ষী আইশিন গত ৩১ জুলাই রাজধানী তেহরানে এক গুপ্ত হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পাজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানের কিছুক্ষণ পর এই গুপ্ত হামলা সংগঠিত হয়।
ইরান ইসলামিক রেভ্যুলেশনারী গার্ড ক্রপস (আইআরজিসি) হামলার বিষয়ে জানায়, হামাস প্রধানকে হত্যায় ৭ কেজি বিস্ফোরকবাহী স্বল্প পাল্লার শেল ব্যবহার করা হয়েছে। ভবনের বাহির থেকে তার রুমের ভেতর নিক্ষেপ করা হয়েছিলো।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











