বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশে কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বলেছেন, গত ছয় মাসে বাক্স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানদণ্ড বজায় রাখার দৃষ্টান্ত দেখা গেছে। এ সময়ে কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ বাক্স্বাধীনতা দেখেছি। অনেক সময় তা সীমা লঙ্ঘন করেছে, উসকানি দেওয়া হয়েছে, তবু সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে।”
শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যে শিক্ষার্থীর যে গ্রেড বা নম্বর প্রাপ্য, ঠিক সেভাবেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, তাদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ফ্যাসিবাদী সরকার লোপাট করে দিয়েছিল। এর ফলে ২০২২ সালের পর থেকে গত চার বছর ধরে সম্মানিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তাদের অবসর ও কল্যাণের ন্যায্য টাকা পাননি।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিদেশে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছিল, তা দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর, জাহেদ উর রহমান, বিশেষ সহকারী এস এম জিয়া উদ্দিন হায়দার, সাইমুম পারভেজ এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রমুখ।










