পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে পানির অধিকার, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা ও পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) আয়োজিত ‘গঙ্গা পানি চুক্তি: পুনঃনবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল শ্রেষ্ঠ। ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।
চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতি সম্মান দেখানো, মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আজাদ বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই। নদীগুলোতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিলিয়ার চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ (কি-নোট পেপার) উপস্থাপন করেন সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
সেমিনারে আরও আলোচনা করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি।










