spot_img
spot_img

পরিবেশ বাঁচাতে ইটের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমাদের নির্মাণ বলতে ইট ব্যবহারকে বুঝি। গানে কবিতায় ইট-পাথরের শহর বলে থাকি। ইট আমাদের অতি পরিচিত শব্দ। তবে পরিবেশ বাঁচাতে ইটের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। এই নির্দেশনা আমাদের মানতে হবে।

রোববার (২০ মার্চ) নগরীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রুপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ভবন নির্মাণে ইটের পরিবর্তে বালু, সিমেন্ট ও নুড়ি পাথরের ব্লক ব্যবহার বাড়াতে হবে। এটি পরিবেশবান্ধব এবং ব্লকের তৈরি ভবন ভূমিকম্প সহনীয়। এর ব্যবহারে নির্মাণ ব্যয়ও কম। সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রকল্পে ইটের বদলে ব্লক ব্যবহার করতে হবে। ২০২৫ সালের পরে আর পোড়ানো ইট নয়, ব্লকে যেতে হবে।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ সালে ভবন নির্মাণে পোড়ানো ইটের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পেও ইটের বদলে ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। তবে ২০২৪-২৫ সালে গিয়ে ইটের বদলে শতভাগ ব্লক চলে আসব। এরপর আর ইট ব্যবহার করা হবে না। অনেক সচিব বলেন এটা কেউ মানছে না। যারা নির্মাণ কাজ করে বিশেষ করে সড়ক ও জনপথ, গণপূর্ত, এলজিইডি তাদেরও ব্লক ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করি। এটা দূষণের অন্যতম উৎস। উন্নত দেশগুলো ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করে না। তারা দূষণের উৎস ব্যবহার করে না। এশীয় অঞ্চলের জাপানেও ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করা হয় না। অনেকে বলে আমাদের প্রতিবেশীদের খবর কি? ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কাও পর্যায়ক্রমে পোড়ানো ইট ব্যবহার থেকে সরে যাচ্ছে। এসব দেশ বেশ এগিয়ে গেছে। ইট পোড়ানো বন্ধ হলে দূষণ থেকে রক্ষা পাব। সেই বিবেচনায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পর্যায়ক্রমে ইট কমিয়ে ফেলে ব্লক ব্যবহার করা হবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ