spot_img
spot_img

আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক চায় পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ইসলামাবাদ কাবুলের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক চায়। তবে একই সঙ্গে তিনি আবারও আফগানিস্তানে পাকিস্তানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতির অভিযোগ তুলেছেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) কোয়েটায় এক বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় শাহবাজ শরিফ ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতি এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “আফগানিস্তান প্রসঙ্গে আমরা আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক চাই। তবে আফগান তালেবানকে দায়েশ খোরাসান, তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান এবং বেলুচ লিবারেশন আর্মির বিরুদ্ধে গুরুতর ব্যবস্থা নিতে হবে, যারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে যাচ্ছে।”

এদিকে আফগানিস্তান বিষয়ে পাকিস্তানের নীতির সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের জমিয়ত উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান তার সর্বশেষ মন্তব্যে আবারও কাবুলের প্রতি ইসলামাবাদের নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তান বিষয়ে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যর্থ হয়েছে।

মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, আফগান সরকারগুলোর সঙ্গে একদিকে সংঘাত এবং অন্যদিকে সমর্থনের পাকিস্তানি দ্বৈত নীতি দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি করেছে। তার মতে, পাকিস্তানের উচিত কূটনীতির মাধ্যমে আফগানিস্তানের সঙ্গে মতপার্থক্য ও চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করা।

তিনি বলেন, “আমি আমার সরকারের কাছে জানতে চাই, তারা যদি আফগানিস্তানে পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কেন্দ্র কোথায় আছে তা জানে এবং সেখানে তাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, তাহলে পাকিস্তানের ভেতরেই এসব গোষ্ঠীর কেন্দ্র কোথায় আছে তা তারা জানে না কেন? আর বান্নু, লাকি মারওয়াত, ট্যাঙ্ক, ডেরা ইসমাইল খান ও ওয়াজিরিস্তানে যা ঘটছে, রাষ্ট্র এখন যে পরিস্থিতির মুখোমুখি, সেটিই একটি বড় প্রশ্ন। কিন্তু শক্তি প্রয়োগ ছাড়া, শুধু শক্তি প্রয়োগ ছাড়া, এর কোনো কূটনৈতিক জবাব তাদের কাছে নেই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষক গুল মুহাম্মাদুদ্দীন মুহাম্মাদী বলেন, “পাকিস্তানি ধর্মীয় আলেমদের আফগানিস্তান বিষয়ে এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং রাজনীতিবিদদের আরেক ধরনের। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যাকে প্রকাশ করে। তাদের জন্য ভালো হবে, আগে নিজেদের সমস্যা সমাধান করা, এরপর দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসা।”

ইমারাতে ইসলামিয়া সম্প্রতি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অতীতে তারা বারবার জোর দিয়ে বলেছে, কোনো গোষ্ঠীকে অন্য দেশ, বিশেষ করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।

সূত্র: তোলো নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ