গত ১১ জুলাই পবিত্র কুরআন পোড়ানোর অনুমতি দেওয়ার প্রতিবাদে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে সুইডেনের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় দেশটির নেতৃত্বাধীন তালেবান সরকার।
আর এ ঘটনার পরিপেক্ষিতে ‘আফগানিস্তানের জন্য সুইডিশ সংগঠন’ (এসসিএ) তার কিছু কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এটি আফগানিস্তানের জন্য একটি প্রধান সংস্থা যা গত কয়েক বছর ধরে দেশটির অভ্যন্তরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সংগঠনটি তালেবান প্রশাসনের সাথে একটি বৈঠকের পর তার কিছু কার্যক্রম স্থগিত করার বিষয়টি ঘোষণা করে।
‘এসসিএর’ হাজার হাজার কর্মী আফগানিস্তান জুড়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও গতবছর সংস্থাটির আওতাধীন হাসপাতালে প্রায় ২৫ লক্ষ আফগান রোগীর চিকিৎসা করা হয়েছে।
আফগানিস্তান জুড়ে কতগুলি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে এ বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। যদিও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি আফগান সরকারের কাছ থেকে।
অন্যদিকে, আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুলােই) সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে অবস্থিত ইরাকের দূতাবাসের সামনে পবিত্র কুরআন ও দেশটির পতাকা পোড়ানোর আবেদনের অনুমোদন দেয় সুইডেন পুলিশ।
এই আবেদনে এমন দুইজন ব্যক্তির উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে যাদের মধ্যে একজন গত জুনে স্টকহোমে মসজিদের সামনে কোরআন পুড়িয়ে দেন।
এই পরিকল্পনার খবরে ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত সুইডিস দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দূতাবাসের দেয়াল টপকে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী বিক্ষুব্ধ জনতা।
ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











