সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাদক দমনে ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের বিষয়ে একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করে বাহিনীটির কার্যক্রম, সক্ষমতা, জনবল, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কীভাবে নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে। এ ক্ষেত্রে বাহিনীটির ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা বাড়িয়ে তা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর বাহিনীতে রূপ দিতে জনবল বৃদ্ধি, নতুন যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিজিবির সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রমে বাহিনীটির সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমেও বিজিবির অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, বিজিবি হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের যেসব প্রস্তাব বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।










