বাণিজ্য, জলবায়ু, জ্বালানি ও কৃষি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশন চলাকালে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও কানাডা।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বহুপাক্ষিকতা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ ও কানাডার যৌথভাবে কাজ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করে এবং আসন্ন ইউএনজিএ অধিবেশনকালে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
তারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন। এর মধ্যে তৈরি পোশাকের বাইরে হালকা প্রকৌশল ও যন্ত্রপাতির মতো খাতে বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের বিষয়ও ছিল।
প্রতিমন্ত্রী কবির কানাডায় বসবাসরত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশির অবদানের কথা তুলে ধরেন, যা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখছে।
তিনি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কানাডার অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে, কানাডার হাইকমিশনার মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তাঁর দেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সভাপতিত্বের প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু বিষয়ক নেতৃত্ব ও জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে কানাডার সহায়তা কামনা করেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কানাডার হাইকমিশনার কৃষিখাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি কাঠামো তৈরির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং উভয় পক্ষ জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ে মতবিনিময় করে।
উভয় পক্ষই পুনর্ব্যক্ত করে যে, বাংলাদেশ ও কানাডার সম্পর্ক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত।











