spot_img
spot_img

ভারত দখলকৃত কাশ্মীরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে না চীন

হিন্দুত্ববাদী ভারত কর্তৃক দখলকৃত কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি-২০ পর্যটন সম্মেলনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন।

শুক্রবার (১৯ মে) চীনের পররাষ্ট্র মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, চীন এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে না। কারণ বিতর্কিত অঞ্চলে যেকোনো ধরণের জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের কঠোর বিরোধিতা করে চীন।

জানা যায়, জি-২০ সদস্যদের পর্যটন গ্রুপগুলোর উদ্দেশ্যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার কাশ্মীরের শ্রীনগরে একটি সম্মেলনের আয়োজন করছে। ৩দিন ব্যাপী এই সম্মেলনটি ২২-২৪ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ইতোমধ্যে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন কাশ্মীরের ট্যুরিস্ট স্পটসহ অন্যান্য স্থানে বিপুল পরিমাণে কমান্ডো ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন করেছে।

চীন ছাড়া পাকিস্তানও গত ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার দখলকৃত কাশ্মীরে হিন্দুত্ববাদী ভারতের জি-২০ পর্যটন সম্মেলনের তীব্র নিন্দা জানায়।

জম্মু-কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে উগ্র হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার প্রদেশটিতে তাদের অবৈধ কার্যকলাপ আড়াল করতে চাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তারা।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “দখলকৃত কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা হিন্দুত্ববাদী ভারতের ঔদ্ধত্য ও কাণ্ডজ্ঞানহীনতার পরিচায়ক।

অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখার পদক্ষেপ স্বরূপ জি-২০ সম্মেলন, পর্যটন বিষয়ক বৈঠক ও তরুণ সমাবেশের আয়োজন করে ভারত মূলত দখলকৃত কাশ্মীরের বাস্তবতা ও নিজেদের অবৈধ কার্যকলাপ লুকাতে চায়। এক্ষেত্রে তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আইন এবং সিদ্ধান্তেরও কোনো তোয়াক্কা করেনি। পাকিস্তান হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানায়।”

মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জাম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসলামাবাদ ও নয়াদিল্লির মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে।

এছাড়া সংবিধান ও আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে ২০১৯ সালে স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ প্রাদেশিক ব্যবস্থা বাতিল করলে বিতর্ক ও উত্তেজনা আরো বহুগুণে বেড়ে যায়। কেননা এর মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের যে স্বাধীনতাটুকু অবশিষ্ট ছিলো তাও চলে যায়। তা একটি ফেডারেল স্টেট বা প্রদেশে পরিণত হয়।

সূত্র: আল জাজিরা

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ