spot_img
spot_img

বাংলাদেশ না চাওয়া জামায়াত রবীন্দ্রনাথের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না চাওয়ার প্রতিবাদ করছে: রাশেদ খান

জামায়াতে ইসলামীকে ‘বাংলাদেশ না চাওয়া’ দল হিসেবে উল্লেখ করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি, এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে জামায়াত অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার আ ন ম আয়াসের পেছনে জামায়াতের আমিরের উপদেষ্টা রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খান বলেন, এনসিপিরও মন কাঁদছে, কিন্তু আয়াসের পাশে দাঁড়াতে পারছে না। তবে জামায়াত সরাসরি আয়াসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আসলে কে এই আয়াস, তাকে চালায় কে?

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহের উজ্জ্বল নামের এক ব্যক্তি ঢাকায় এসে নাম, চুলের ধরন ও চেহারায় কিছুটা পরিবর্তন এনে ‘জুলাই যোদ্ধা আয়াস’ পরিচয়ে সামনে এসেছেন। তাঁর দাবি, ওই ব্যক্তি এর আগে প্রতারণার মামলায় কারাগারেও ছিলেন এবং মামলাটি এখনো বিচারাধীন।

রোববার আয়াসকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান থেকে তাঁর মুঠোফোনভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবের তথ্য মুছে ফেলার কথা বলা হয়েছে দাবি করে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন রাখেন, আয়াসের মুঠোফোনভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবে কী আছে?

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার জন্য আয়াসকে চুনকালি কেনার অর্থ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। জুলাইয়ের নামে বিতর্কিত বিভিন্ন সংগঠন ও কর্মকাণ্ডকে ওই ব্যক্তি অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তাঁর দাবি, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে রক্ষা করতেই আয়াস তাঁর মুঠোফোনভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবের তথ্য মুছে ফেলার কথা বলেছেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় আ ন ম আয়াসসহ চারজনকে ১১ অক্টোবর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। পরে আদালত আয়াসসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথক মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ