যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোতে বন্দী রয়েছে শত শত বাংলাদেশী। মানবেতর দিন যাপন করছেন এইসব বন্দীরা। ইউরোপের দেশ ইতালিতে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন দেখা এসব বাংলাদেশী মূলত সাগর পাড়ি দেওয়ার সময় দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকতে থাকতে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
তবে দূতাবাসের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে মাঝে মধ্যে অনেকে মুক্তির পর দেশে ফেরত আসছেন।
এ দিকে আদালতের নির্দেশে দেশটিতে বাংলাদেশী শ্রমিক যাওয়া বন্ধ থাকলেও ‘বডি কন্ট্রাক্টের’ মাধ্যমে দালালদের হাত ধরে অবৈধ উপায়ে দুবাই-তিউনেশিয়া আবার কখনো দুবাই-মিসর হয়ে অনেকেই পাড়ি জমাচ্ছে অজানা গন্তব্যে। মাঝে মধ্যে সাগর পাড়ি দেয়ার সময় ট্রলারডুবিতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।
লিবিয়ার ত্রিপোলি দূতাবাস ও স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটি-সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার জীবনযাত্রা এখনো অস্বাভাবিক অবস্থার মধ্যেই রয়েছে। দেশটির পূর্বাঞ্চল শহরটি এখনো হাফতার খলিফা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্য দিকে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিসহ পশ্চিমাঞ্চল জাতিসঙ্ঘ কর্তৃক লিবিয়ানদের নিয়ে গঠিত সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
লিবিয়ার স্থানীয় কমিউনিটি-সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, ডিটেনশন ক্যাম্পে বাংলাদেশীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। ক্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে তাদেরকে মাথাপিছু দুই লাখ টাকা করে দিতে হয়। নতুবা বন্দিদশা থেকে মুক্তি মেলে না।











