ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে বড় ভাঙনের শুরু হয়েছে। একে একে বিজিপি ছেড়ে সবাই ছুটছে তৃণমূল কংগ্রেসে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিজেপিতে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়। যা তরান্বিত হয়েছে মুকুল রায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসার মধ্য দিয়ে।
সোমবার (২১ জুন) গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাসহ আলিপুরদুয়ারের মোট বিজেপি নেতা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।
আর সেই সূত্র ধরেই এবার আলিপুরদুয়ার বিজেপি জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। আজ তৃণমূল ভবনে তার হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মুকুল রায় এবং ব্রাত্য বসু।
সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও বেশ ভালো ফল করা আলিপুরদুয়ারে বিজেপির চরম ক্ষতি হল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। আর দলবদল করে গঙ্গাপ্রসাদ নিশানা করেছেন বিজেপি নেতৃত্বকেই।
তিনি বলেন, জেলার নেতাদেরকে কখনই গুরুত্ব দেয় না বিজেপি। নির্বাচনের আগে কাজ করলাম আমরা, আর আমারাই কোনও গুরুত্ব পেলাম না। নির্বাচনের আগেই দলবদল করতে পারতাম। কিন্তু তা করলে আমাকে গদ্দার বলা হত। আমি দলকে ৫টা আসন দিয়েছি। তারপর ফিরেছি। কিন্তু বিজেপি জেলার নেতাদের গুরুত্বই দেয় না। তাই দল ছেড়ে দিলাম।
দীর্ঘদিন ধরেই আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে আলিপুরদুয়ারের বিজেপির জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। তারপরই লোকসভায় ভাল ফল করে বিজেপি। একুশের নির্বাচনেও গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার জোরেই আলিপুরদুয়ারের ৫টি আসন বিজেপির দখলে রয়েছে বলেই মত অনেকের। আর এই যোগদানের পর মুখ খুললেন মুকুল রায়।
মুকুল রায় বলেন, ‘=এটা শেষের শুরু। বিজেপি যেখানে নিজেদের শক্তিশালী বলে দাবি করছে, সেই উত্তরবঙ্গ থেকেই আগে ভাঙন ধরল ওই দলে। এরপর আরও দেখবেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমসের।












