তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে উঠছে। ২০১৮ সালেই আইসিটি খাতে রপ্তানি ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। অনলাইন শ্রমশক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সারের আউটসোর্সিং খাত থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। ৩৯টি হাই-টেক ও আইটি পার্কের মধ্যে এরই মধ্যে নির্মিত ৮টিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে ৫টি আইটি পার্কে ১২০টি প্রতিষ্ঠান ৩২৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে এবং ১৩ হাজারের অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২১ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের উদ্যোগে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ফর আনন্দমেলা প্ল্যাটফর্ম ইউজার্স ইন বাংলাদেশ কিকঅফ ওয়ার্কশপ’র দ্বিতীয় অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আর্থিক লেনদেনে খরচ কমাতে ও হয়রানি রোধে আগামী বছরের জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে। দেশের জনগণকে ডিজিটালসেবা প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে নিয়ে আসাই এর লক্ষ্য।
তিনি বলেন, অনলাইন ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার ও এটিএম কার্ড ব্যবহারে দেশে ই-কমার্সেরও ব্যাপক প্রসার ঘটাচ্ছে। ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত ই-কমার্সের আকার ছিল ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ,যা করোনা মহামারিতে দ্বিগুণ হয়েছে। আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ দেশীয় ই-কমার্সের বাজার ২৫ হাজার কোটিতে পৌঁছাতে পারে।










