আরও ৩ জন নিরীহ ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করল ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলী বাহিনী।
সোমবার (২২ মে) দখলকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত বালাতা শরণার্থী শিবিরে এই হত্যাকাণ্ড চালায় ইসরাইল।
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা মতে, ইহুদিবাদী সন্ত্রাসী সেনারা গভীর রাতে পশ্চিম তীরের বালাতা শরণার্থী শিবিরে কয়েকটি বুলডোজার নিয়ে হানা দেয়। প্রথমে সেই বুলডোজারগুলো দিয়ে তারা প্রবেশপথ অবরোধ করে ফেলে। তারা এমনভাবে সবকিছু করছিলো আমরা দেখে ভেবেছিলাম হয়তো কোনো অ্যাম্বুলেন্স এবং সাংবাদিকদের প্রবেশ ঘটবে আমাদের শিবিরে। কিন্তু পরক্ষণেই ইহুদিবাদী অবৈধ রাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সেনারা অভিযান চালানো শুরু করলে আমাদের ভুল ভেঙ্গে যায়।
ফিলিস্তিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, এটি ছিলো ইহুদিবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের এবছরের সবচেয়ে দীর্ঘ অভিযান। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৩জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। আর কেউ আহত-নিহত হয়েছে কি না এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেমন তা এখনো জানা যায়নি।
যে ৩ জন ফিলিস্তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন তারা হলেন, মুহাম্মদ আবু যাইতুন (৩২), ফাতহি আবু রিজক (৩০) ও আব্দুল্লাহ আবু হামদান (২৪)।
জানা যায়, রবিবার (২১ মে) নাবলুস শহরের নিকটে এক ফিলিস্তিনি গাড়ির আঘাতে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের একজন সন্ত্রাসী সেনা আহত হওয়ার ঘটনা। এর প্রেক্ষিতেই তারা বালাতা শহরে এমন বড়সড় সন্ত্রাসী অভিযান পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য; এই সন্ত্রাসী অবৈধ রাষ্ট্রটি তাদের কোনো কাজে আইন ও নীতি-নৈতিকতার থোড়াই পরোয়া করে। ফিলিস্তিনে অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখতে তারা না কোনো নীতি-নৈতিকতার তোয়াক্কা করে, না কোনো আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার আইনের। মূলত জাতি হিসেবে ইহুদিরা এক অবাধ্য জাতি। তাদের ইতিহাস অবাধ্যতার, আইন অমান্যের ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের।
সূত্র: আল জাজিরা











