ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া এ পর্যন্ত সফলতার সাথে তিনটি খিঞ্জাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু।
রবিবার (২১ আগস্ট) রুসিয়া-১ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ইউক্রেন অভিযানে তিনবার এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছি এবং এর ফলাফল ছিল অত্যন্ত চমৎকার। এই ক্ষেপণাস্ত্রের মানের সাথে বিশ্বের অন্য কোন দেশের ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনা হয় না।
রাশিয়ার তৈরি খিঞ্জাল বা তলোয়ার নামে এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ২০১৭ সাল থেকে রাশিয়ার বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১২ গুণ গতিতে ছুটতে পারে। খিঞ্জাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতি ঘন্টায় পাড়ি দিতে পারে ১৪,৮০০ কিলোমিটার পথ। ছুটে চলার পথে শত্রুর বাধা পার হওয়ার জন্য ক্ষেপণাস্ত্রটি গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে এবং শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহজেই ভেদ করতে পারে। পরমাণু ওয়ারহেডবাহী এই ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার টিইউ-২২এমথ্রি বোমারু বিমান অথবা মিগ-৩১ যুদ্ধবিমান থেকেও ছোড়া যায়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মার্চ মাসের মাঝামাঝি দিকে জানিয়েছিল যে, তারা ইউক্রেনের গভীর অভ্যন্তরে একটি অস্ত্র গুদাম ধ্বংসের জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। দৃশ্যত সেটিই ছিল কোন যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার।
সূত্র: পার্সটুডে











