মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও একদলীয় নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস।
আজ (২২ ডিসেম্বর) শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইটে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত জালালীর সভাপতিত্বে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের মানুষ আজ খেতে পায় না। মানুষের কাছে আজ পয়সা নেই। যখন তারা বাজারে যায় তাদের চোখ দিয়ে পানি ঝরে। আমাদের রিজার্ভ কমে আসছে। দেশের টাকা লোপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এমন একটি দুর্ভিক্ষের সময় অবৈধ ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলছি, জনগণকে উপেক্ষা করে হয়ত নির্বাচন করতে পারবেন কিন্তু ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।
তিনি আরো বলেন, এ সরকার একটি ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন করতে চাচ্ছে। অর্থাৎ মামুরা আর ভাগ্নেরা টাইপের নির্বাচন। সবাই নৌকা প্রতিক চায়। জনগন এসব বুঝে। এরকম ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন জনগণ মানবে না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, এ সরকার পার্শ্ববর্তী দেশের উপর ভর করে এমন কিছু প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করতে যাচ্ছে যারা ইসলামের মৌলিক বিধান নামাজকে নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে তা কোনো সভ্য-ভদ্র মানুষ করতে পারে না। মৃণাল কান্তি দাসকে আমরা জানি! আপনার অতিপ্রিয় ভারতের সেবাদাস এই মৃণাল কান্তিকে গ্রেফতার করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী বলেন, মামুনুল হক এদেশের জনপ্রিয় আস্থাভাজন নেতা। মামুনুল হক এর মুক্তি শুধু যুব মজলিস নয় এদেশের কোটি মানুষের প্রাণের দাবি। জনতার এ দাবি যদি সরকার না মানে জনগণ রাস্তায় নেমে এসরকারের পতন ঘটাবে।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও বায়তুল মাল বিভাগের সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মজলিসে খাস সদস্য মাওলানা শহীদুল ইসলাম, ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মুহাম্মাদ খালিদ সাইফুল্লাহ, ঢাকা জেলা দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা জাকির হুসাইন, ঢাকা জেলা উত্তরের সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা আব্দুল আজীজ, ঢাকা মহানগরীর সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা মুর্শিদুল আলম সিদ্দিক, বাইতুল মাল বিভাগের সম্পাদক মাওলানা শহীদুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা আল আবিদ শাকির, সমাজকল্যাণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, দপ্তর বিভাগের সম্পাদক মিজানুর রহমান, খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নাইম, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আবরারুল হক আরিফ ও দপ্তর সম্পাদক হাবীবুল্লাহ মিসবাহসহ বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলবৃন্দ।











