বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের বিরোধিতা করলে দেশে গুম হয়ে যায়। সরকারের সমালোচনা করলে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হয়। তাই দেশের বাইরে থেকে যারা সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের কোনোভাবে ধরতে না পেরে এখন আবার গবেষণায় বসছেন, এদের কীভাবে ধরা যায়। সেজন্য দেখা যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেউ বক্তব্য দিচ্ছে, তার বোনকে ধরে নিয়ে গিয়ে কারাগারে রাখা হচ্ছে। এত জুলুমবাজ, এত ভয়ঙ্কর অত্যাচারী সরকারের দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে আর নেই।
রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় তাঁতী দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দুআ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সার্চ কমিটি গঠনে যে আইন সেটি তো পরিচালনা করবে সরকার এবং তার নির্বাহী বিভাগ। যারা আইন প্রণয়ন করবেন তারা তো সরকারের কথায় করবেন। আওয়ামী চেতনার দ্বারা উদ্বুদ্ধ না হলে আইন প্রণয়ন করা যায় না। আর যে সার্চ কমিটি হবে সেটি হবে আওয়ামী বাকশালী চেতনার দ্বারা উদ্বুদ্ধ। মুজিবকোট পরা লোকেরাই সরকারের সার্চ কমিটিতে থাকবেন।এই সার্চ কমিটি হারিকেন দিয়ে খুঁজে খুঁজে মুজিবকোট পরা লোকদের বের করে আনবে।
তিনি বলেন, বর্তমান পার্লামেন্ট একটি নিশিরাতের পার্লামেন্ট, শেখ হাসিনার ইচ্ছার পার্লামেন্ট। এখানে প্রকৃত অর্থে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে এমন কোনো নেতা নেই। এই পার্লামেন্টে যে আইন হবে সেটিতো মুজিবকোট পরা আইন হবে। সেখানে মুজিবকোট পরা সার্চ কমিটি হবে। সেখানে কোনো নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি হবে না। তারা মুজিবকোট পরা লোক বাছাই করবে। তারা কোনো নিরপেক্ষ লোক বাছাই করবে না। ওই সার্চ কমিটি আরেকজন কে এম হুদাকে খুঁজে বের করবে। আরেকজন রকিবুলকে বের করবে। যারা ভোটার ছাড়া নির্বাচন করতে অত্যন্ত পারদর্শী, যারা দিনের আলোতে যে ভোট হয় সকাল ৮টা থেকে ৪টা, সেই ভোটে বিশ্বাস করে না, সেই রকম হুদা সাহেবদের বের করে আনবে এই সার্চ কমিটি। কারণ এই নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য যে আইনটি করা হচ্ছে এটি একটি অবৈধ আইন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, এটা সম্পূর্ণ আওয়ামী আইন। এটি একটি বাকশালী আইন। এই সার্চ কমিটির সঙ্গে অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন করার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।










