spot_img
spot_img

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে খাদ্যকে যেভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল

বৈধ অধিকার থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল।

সম্প্রতি জাতিসংঘের ‘খাদ্য অধিকার’ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে। এবিষয়ে গবেষণাপত্রগুলি তৈরি করেছে আরব গ্রুপ ফর দ্য প্রোটেকশন অফ নেচার (এপিএন)। যেখানে জর্দান ও ফিলিস্তিনের খাদ্য ব্যবস্থার উপর ইসরায়েলি সহিংসতার প্রকৃতি, মাত্রা ও প্রভাব বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।

গবেষণাপত্রে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য গৃহীত বিভিন্ন কৌশল বর্ণনা করা হয়েছে। যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনিদেরকে খাদ্যের জন্য ইসরাইলের উপর নির্ভরশীল করা। ফলে চাপে পড়ে তারা যেন তাদের বৈধ অধিকার ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এসব কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে-

পরিকল্পিতভাবে গাছ উপড়ে ফেলা:

নির্যাতিত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হল জলপাই গাছ। ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ১৮ হাজার ৯০০ টি জলপাই গাছ আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, কৌশলগত উদ্দেশ্য সাধনের জন্য দলবদ্ধভাবে তারা এসব অঞ্চলে রোপনকৃত জলপাই, আঙ্গুর ও বাদামের চারায় রাসায়নিক কীটনাশক স্প্রে করে। যার ফলে ফিলিস্তিনের কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এতে দখলদার ইসরাইল তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে যায়।

জমি বাজেয়াপ্ত করা:

গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইলী বাহিনী ফিলিস্তিনিদের আল-আউজা শহরের ১৯৩ টি জমি দখল করে একটি সামরিক ডিক্রি জারি করে। যার মাধ্যমে এখানকার চাষযোগ্য ১৯৩.২৯২ ডুনাম জমি আগামী ৫ বছরের জন্য বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। যার ফলে ব্যাপক সংখ্যক ফিলিস্তিনি কৃষক চাষযোগ্য জমি হারিয়েছে।

সেচ প্রক্রিয়ায় বাধা প্রদান:

জমি চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পানি। ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দখলদার বাহিনী ফিলিস্তিনি কৃষকদের ৬৬টি জলকূপ বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে প্রচুর পরিমাণে কৃষি বর্জ্য দিয়ে নদীর বিভিন্ন অংশকে দূষিত করে রাখে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। এসব লঙ্ঘন ফিলিস্তিনিদের কৃষি সম্পদের উপর ব্যাপকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ