ভারতের দখলকৃত কাশ্মীরের রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বুদগাম ও কুলগামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বর্ষণ ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নদীতীরবর্তী এলাকায় না যেতে নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে পীর পাঞ্জাল পার্বত্য অঞ্চলের নদী ও ঝরনার পানি উপচে পড়ে এ বিপর্যয় দেখা দেয়।
রাজৌরি শহরের কেন্দ্রস্থলের দরহালি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি আবাসিক এলাকায় ঢুকে পড়ে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাজৌরির পাশাপাশি থানা মান্ডি, দরহাল ও মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত এলাকাতেও ভূমিধস এবং অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে বুদগামের বেরওয়াহ এলাকায় একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়েছে। তবে পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাসিন্দাদের আগেই সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে কাশ্মীরকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি ও বন্যার পূর্বাভাস বহাল রাখায় পুরো অঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি ও আনাদোলু










