ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস গাজ্জা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতির প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনরায় ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত বিভিন্ন ব্যবস্থা ও গ্যারান্টি থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল দিনরাত একটানা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে চলেছে এবং জাতীয় কমিটির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সাফা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে সংগঠনটি।
হামাস জানায়, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর পঞ্চম মাসে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে প্রায় ৪৮৪ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও ১ হাজার ২৯৭ জন আহত হয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব চলমান লঙ্ঘন বন্ধে এখনো কোনো কার্যকর বা বাস্তব চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।
হামাস আরও জানায়, দাভোস ফোরামে অংশগ্রহণকারীদের উচিত ছিল গাজ্জায় ইসরাইলের চলমান অপরাধগুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া। এসব অপরাধ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে, সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়া, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে। অথচ চুক্তি মেনে চলা ফিলিস্তিনি পক্ষকে হুমকি দেওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে হামাস শান্তি পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ইসরাইলের এসব লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং চুক্তির শর্ত পূরণে তাকে বাধ্য করতে শান্তি পরিষদকে তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, আশ্রয় সামগ্রী সরবরাহ এবং ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করা। এতে দখলদারিত্বের কারণে সৃষ্ট মানবিক সংকট থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষা করা সম্ভব হবে-বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন গাজা ভারী বৃষ্টি ও তীব্র শীতের সম্মুখীন হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











