ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা চরম সংকটময় মূহুর্ত পার করছে। রাজনৈতিকভাবে সরকারের ব্যর্থতার দায় ঢাকতে বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার মাধ্যমে অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়ছে, যার ভবিষৎ খুবই ভয়াবহ। শিক্ষাব্যবস্থার উপর বিরাজমান এই সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ সরকারকেই নিতে হবে। তাই শিক্ষার্থীদের ভবিষতের প্রতি লক্ষ রেখে অনতিবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।
বুধবার (২৬ জানুয়ারী) ১০টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রধান বক্তা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর বলেন, দেশে যখন ছাত্র রাজনীতির নামে অপরাজনীতি চর্চা করা হয়, তখন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এক আলোকঝান্ডা নিয়ে দেশের ত্রি-ধারার শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা গঠন ও নেতৃত্ব বিকাশে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
সম্মেলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তাব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, কেন্দধীয় সহকারী অর্থ সম্পাদক মাওলানা নূরুল ইসলাম আল-আমীন চৌধুরী, বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দধীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক মুহাম্মদ ইবধাহিম হুসাইন মৃধা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় তথ ও গবেষণা সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ।
আরো বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা ইদ্রীস আলী, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা জামিলুর রহমান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বরিশাল জেলা সভাপতি মাওলানা নাছির উদ্দিন (রোকন) ডাকুয়া, ইসলামী যুব আন্দোলন বরিশাল জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ সানাউল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শুরা সদস ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি এস.এম তৌহিদ বাশার, বরিশাল মহানগর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সরকারি বিএম কলেজ সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুর রহিম।
এছাড়াও বরিশাল জেলা শাখার সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।










