সোমবার | ২৬ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

আল্লাহর নামে তিনবার শপথ করে যা বললেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতি আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম জনগণের সম্পদের ওপর আমরা হাত দেব না।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জনগণের চৌকিদার হয়ে আমানত হেফাজত করব। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেব না। প্রতিবছর আয় ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরব। চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন নয় বরং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে তাদের আর চাঁদাবাজিতে জড়াতে না হয়।

তিনি বলেন, মেহেরপুর ছোট জেলা, মাত্র তিনটি উপজেলা। মানুষ একে অপরকে চেনে। অথচ এই জেলাও চাঁদাবাজদের দখলে চলে গেছে। জনগণের রায়ে আমরা ক্ষমতায় গেলে এই মানুষগুলোর দায়িত্ব আমরা নেব। তাদের কাজ দেব, যাতে চাঁদাবাজি করতে না হয়।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট। সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করলে দেশ বিজয়ী হবে। ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। কেউ ভোট ডাকাতি করতে গেলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

গত ৫৪ বছরের শাসকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়নি। তরুণ সমাজ মাদক ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। তাদের জন্য আমাদের মায়া হয়। দায়িত্ব পেলে দেশকে ফুলের মতো সাজাবো, যাতে মানুষ দেশ নিয়ে গর্ব করতে পারে।

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাঁদাবাজি করবো না, দুর্নীতি করবো না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেব না। মানুষ ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কাকে ভোট দেবে।

বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বেকার ভাতা দেব না, রাষ্ট্রের টাকা থাকলেও না। ভাতা দিলে বেকারত্ব কমে না, বরং বাড়ে। আমরা ভাতা নয়, কাজ দেব।

তিনি আরও বলেন, তরুণদের শক্তিতেই দেশ এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষে যুব সমাজকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ