spot_img
spot_img

বিগত দুই সরকার লুটপাট করার উদ্দেশ্যে টিকা কেনেনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার মূলত অর্থ লুটপাট করার অসৎ উদ্দেশ্যে বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহ করেনি বলে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মনোহরদী উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্থানীয় অসহায় ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা বিতরণের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

বক্তব্য প্রদানকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবসময়ই বেসরকারি বা প্রাইভেট কোটায় নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে টিকা কেনার ব্যাপারে আগ্রহী ছিল। কিন্তু সেখানেও নিজেদের মনমতো আর্থিক সুবিধা বা স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় তারা শেষ পর্যন্ত দেশে কোনো টিকাই আমদানি করেনি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই চরম উদাসীনতার কারণেই সম্প্রতি দেশে হঠাৎ করে মারাত্মকভাবে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, যার ফলে অনেক মায়ের কোল অকালে খালি হয়ে গেছে। তবে বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পরপরই অত্যন্ত দ্রুততার সাথে টিকার জরুরি সুব্যবস্থা করেছে এবং দেশজুড়ে পুনরায় টিকাদান কার্যক্রম সচল করেছে। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে হামের এই পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং প্রাদুর্ভাব আরও কমে আসবে। এর পাশাপাশি তিনি জানান, দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কার্যকর নানামুখী পদক্ষেপ ও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকারের একটি বিশাল বাজেট রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ব্যাপক হারে কাজ করা হবে।

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম.এ মুহাইমিন আল জিহানের সার্বিক সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বিশেষ সরকারি অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়া এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলনসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ