চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মুহাম্মাদ আবদুল গনি প্রকাশ রকি খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও নিহতের মোবাইলও উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ জুন) সকালে সাতকানিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বালার পাড়া এলাকার মৃত খুলু মিয়ার ছেলে শফিকুল আলম (২১) এবং একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে সোহেল।
জানা গেছে, নিহত রকি স্থানীয় এক একটি ফার্নিচারের দোকানের কর্মচারি। সে কাজ শেষে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বারদোনা এলাকায় বসে ফ্রি-ফায়ার গেম খেলছিল। খেলা নিয়ে তাদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তারা রকিকে ছুরিকাঘাত করে তার মোবাইলটি সঙ্গে করে নিয়ে যায়।
রকির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ২৮ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক সোহেল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় শফিকসহ আরও একজন যুক্ত থাকার কথা জানায়। তার স্বীকারোক্তিতে শনিবার ভোরে বারদোনা থেকে শফিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও নিহতের খোয়া যাওয়া মোবাইলও উদ্ধার করা হয়।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বাবা আহাম্মাদ হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশি তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যজনকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।












