পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্য দেওয়ার কারণে রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) আমেরিকাকে তোপ দেখিয়েছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভারতকে এর জবাব দিল যুক্তরাষ্ট্র।
এদিন মধ্যরাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে আমেরিকার। দুই দেশের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি একেবারেই আলাদা। কোনো দেশের সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে সেই নীতি প্রণয়ন করা হয় না।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস এসব কথা বলেন।
জয়শংকরের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পাকিস্তান ও ভারতের সঙ্গে আমাদের স্বতন্ত্র পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে। এক দেশের সঙ্গে আমরা যেভাবে সম্পর্ক রাখি, তার প্রভাব কখনই অন্য দেশের উপরে পড়ে না।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে এই দুই দেশের গুরুত্ব আলাদা। আমরা মনে করি এই দুই দেশই কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার। তাই আমরা ভারতের সঙ্গে যেভাবে সম্পর্ক রাখি, পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তার প্রভাব পড়বে না। একই কথা ভারতের ক্ষেত্রেও।
সম্প্রতি পাকিস্তানের জন্য বিশেষ সামরিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে আমেরিকা। পাক বিমানবাহিনীর মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলোর আধুনিকীকরণের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে চরম ক্ষুব্ধ ভারত। মোদি সরকারের ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রোববার ওয়াশিংটনের এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।
জয়শংকর বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লাভ হচ্ছে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেবে দেখার সময় হয়েছে। আপনারা বলছেন, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে ব্যবহার করবে পাকিস্তান। আপনারা কাকে নির্বোধ ভাবছেন! সবাই জানে এই বিমান কার বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে। কোনো মার্কিন নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা হলে আমি বলব, ভেবে দেখুন আপনারা কী করছেন।











