বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান বলেছেন, সব দুর্ঘটনার দায় চালকের ওপর চাপিয়ে দিয়ে একতরফা বিচার করলে হবে না। দুর্ঘটনার পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকে। বিআরটিএ ও পুলিশের সক্ষমতার ঘাটতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকের স্বল্পতা, লাইসেন্সবিহীন ও অদক্ষ চালক, এক শ্রেণির মালিকের অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব ও বেহাল সড়কের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। বিআরটিসির সক্ষমতার অভাবে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার ৯০ শতাংশই বেসরকারি খাতে চলে গেছে। এটাও যাত্রী ভোগান্তির আরেকটি কারণ।
সোমবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘আসন্ন ঈদ ও বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শাজাহান খান বলেন, পরিবহনে আগে চাঁদাবাজি চললেও এখন তা ৮০ শতাংশ কমানো হয়েছে। মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে এখন আর চাঁদাবাজি হয় না। তবে বিভিন্ন শহরে চলন্ত গাড়ি থেকে পার্কিং ফি নামে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলো গাড়িপ্রতি তিনশ থেকে চারশ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে হলে সড়কে আনফিট (ত্রুটিপূর্ণ) গাড়ি চলাচল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে বিআরটিএ ও বিআরটিসিসহ সড়ক সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।











