উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি শাসিত ভারতের উত্তর প্রদেশের এক মুসলিম শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের বিষয়ের নিন্দা জানিয়ে এটিকে বিজেপি-আরএসএসের ঘৃণাত্মক রাজনীতির ফলাফল বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খগড়ে।
শনিবার (২৬ আগস্ট) এক টুইট বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের জঘন্য ঘটনা ভারতীয় সংবিধান পরিপন্থী ও তা বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।
খগড়ে বলেন, “ক্ষমতাসীন বিজেপির ধর্মীয় বিদ্বেষ মূলক চিন্তাধারার বিষক্রিয়া সমাজে এমন ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, একদিকে তৃপ্তা ত্যাগী নামের শিক্ষিকা ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক শিক্ষা দিচ্ছে তো অন্যদিকে রেল নিরাপত্তা কর্মী চেতন সিং ধর্মের নামে নিরীহ মানুষদের হত্যা করছে।”
তিনি আরো বলেন, “যে কোন ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সহিংসতা আমাদের দেশের বিরুদ্ধচারণ করে। এছাড়া অপরাধীদের রেহাই দেওয়াও আমাদের দেশের বিরুদ্ধচারণ।”
তিনি বলেন, “এ জঘন্য ঘটনার নিন্দা করলেও তা কম বলেই গণ্য হবে। যার দরুন দোষীদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তি দেওয়া উচিত। যাতে অন্য কোন ব্যক্তি এই ধরনের অপরাধ করার আগে যেন শতবার চিন্তা করে।”
তার এ মন্তব্যটি ভারতের মুজাফফর নগরের এক স্কুল শিক্ষিকা কর্তৃক তারই ছাত্রকে নির্যাতনের ঘটনার প্রেক্ষাপটে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, ওই হিন্দু শিক্ষিকা স্কুল ছাত্রদের মুসলিম ছেলেটিকে থাপ্পড় মারতে বলছেন এবং জোরে আঘাত করতে না পারায় হিন্দু শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করছেন।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিশুটির পিতা জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোন ধরনের মামলা করবেন না।
তিনি বলেন, “আমরা এই ঘটনায় মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জমাকৃত বেতন ফেরত দিয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার ছেলে আর ওই স্কুলে যাবে না।”
সূত্র: মুসলিম মিরর











