চট্রগ্রামের আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মাদরাসার উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ৮৬তম আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বাদ জোহর মাদরাসার শাইখুল হাদীস ও প্রধান মুফতী মুফতী শামসুদ্দীন জিয়ারর উদ্বোধন বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়ে চলে আজ শুক্রবার আসর পর্যন্ত।
নামাজের পূর্বে মাদরাসার মুহতামিম মুফতী আবু তাহের নদভী কাসেমীর সমাপনী বয়ান ও দোয়ার মাধ্যমে সম্মেলন সমাপ্ত হয়।
দুু’দিন ব্যাপী এ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলামের বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, ঢাকা ঢালকানগরের পীর মাওলানা আবদুল মতিন বিন হুসাইন, নানুপুর পীর মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরি, মাওলানা সৈয়দ ফয়সাল নদীম (পাকিস্তান), মাওলানা আজিজুল হক আল-মাদানী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মুফতী সাখাওয়াত হোসেন রাজি, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান সিরাজী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী, মাওলানা খোবাইব বিন তৈয়ব, মাওলানা আজিজুর হক ইসলামাবাদী, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আল মোবারক প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ইসলামবিরোধী শক্তিগুলোকে প্রতিহত করতে এবং চূড়ান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে এই দেশে প্রকৃত ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ওলামায়ে কেরাম, তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মুসলিম জনগণকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। মুসলমানের শক্তি ঐক্যে, আর ঐক্যের মাধ্যমেই ইসলামপন্থী সকল প্রচেষ্টা সফলতা লাভ করতে পারে।
এছাড়াও, সমাপনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে জামিয়ার প্রধান মুফতী আবু তাহেরী কাসেমী নদভী বলেন, পরম করুণাময় আল্লাহ তা’আলার অসীম ফজল ও রহমতে আমাদের বার্ষিক সম্মেলন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, সুসংগঠিত ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এজন্য আমরা মহান আল্লাহর দরবারে আন্তরিক শুকরিয়া আদায় করছি।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, “জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীসহ স্থানীয় নেতৃত্ব, শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকরা যেভাবে অকুতোভয়ভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ সম্মিলিত প্রয়াস ছাড়া এমন সুবিশাল একটি সম্মেলন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না।”











