spot_img
spot_img

সরকার ভুল করলে সমালোচনা করুন, চক্রান্ত মানবে না জাতি : রিজভী

সরকার ভুল করলে তা ধরিয়ে দেওয়া যাবে, সমালোচনাও করা যাবে; কিন্তু চক্রান্তের বৃহত্তর কোনো নীলনকশা জাতি মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (২৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর প্রস্তুতি এবং দলের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও কর্মসূচি নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “রাষ্ট্রের সব লোক ফেরেশতা নয়। সেহেতু অনেকেই আইন ভঙ্গ বা অপরাধ করবে, কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থাও নিচ্ছে। যেমন রামিসার বিষয়টি সামনে আসার পর সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে।”

তিনি বলেন, জাতীয় দুর্যোগ, দারিদ্র্যসহ সব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। তবুও বিরোধীরা চক্রান্তের কথা বলছে।

রিজভী বলেন, “সরকারের ভুল হলে ভুল ধরিয়ে দেওয়া যাবে, সমালোচনাও করা যাবে। কিন্তু চক্রান্তের বৃহত্তর কোনো নীলনকশা জাতি মেনে নেবে না।”

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পরবর্তীতে তিনি দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে সারাবিশ্বেই তা জানান দেন। তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভালো ছিল না, তিনি পুনরায় সেগুলো সচল করার ব্যবস্থা করেন। বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে একটি বিপ্লব তৈরি করেছিলেন।”

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আগ্রাসী শক্তিরা বুঝতে পেরেছিল, জিয়া ক্ষমতায় থাকলে এ দেশে আগ্রাসন করা সহজ হবে না; এজন্যই তাকে খুন করা হয়। এরপর আধিপত্যের থাবায় দেশকে আবার বন্ধ করতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার সহধর্মিণী খালেদা জিয়া সংগ্রাম করে দেশকে রক্ষা করেন। সেই চক্রান্ত কিন্তু এখনো বন্ধ নেই, এখনো নানান চক্রান্ত চলছে।”

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের ঈদে সব ধরনের চাঁদাবাজি সরকার কঠিন হাতে দমন করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভালো না হলেও খারাপ ছিল না। রাতারাতি সবকিছু বদলে দেওয়া কোনো সরকারের পক্ষেই সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, কোরবানির ঈদ শেষ হতেই দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরকার কাজ করছে।

রিজভী জানান, আগামীকাল শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এদিন সারাদেশে বিএনপির সব প্রতিষ্ঠানে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং সব অঙ্গসংগঠন নানাবিধ কর্মসূচি পালন করবে।

তিনি জানান, বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় শুকনো খাবার বিতরণ করবেন তিনি।

বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পাঁচটি অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে খাবার বিতরণ করা হবে। এ কর্মসূচিতেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ