spot_img

পাঠ্যবইয়ে মহানবীর জীবনী বাদ দিয়ে রামায়ণ ঢুকানো হয়েছে: এমপি ফকরুল ইমাম

সংসদ সদস্য ফকরুল ইমাম বলেছেন, আমাদের স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে মহানবীর জীবনী ও বিদায় হজের ভাষণ নিয়ে গল্প ছিল, এসব বাদ দেওয়া হয়েছে। ক্লাস থ্রিতে খলিফা হজরত আবুবকর (রা.) এর একটা সংক্ষিপ্ত জীবনী ছিল, সেটা বাদ দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ফোরে খলিফা হযরত ওমরের জীবনী ছিল, সেটা বাদ দিয়েছে। ক্লাস ফাইভে বিদায় হজ, শেষে নবীর জীবনী ছিল, সেটা বাদ দিয়েছে। অপরদিকে পঞ্চম শ্রেণির বইয়ে একটি কবিতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেটি ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরোধী কবিতা। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে লাল গরু নামক একটি ছোট গল্প আনা হয়েছে, যেখানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে, গরু হচ্ছে মায়ের মতো। তাই গরু জবাই করা ঠিক নয়। অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ। সপ্তম শ্রেণির বইতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লাল নামক একটি গল্প ঢোকানো হয়েছে, যেখানে শেখানো হচ্ছে হিন্দুদের কালিপূজা ও পাঠাবলির কাহিনী। অষ্টম শ্রেণির বইতে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ রামায়ণের সংক্ষিপ্ত রূপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো কীসের আলামত? বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেখতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য ফকরুল ইমাম বলেছেন, দেশে প্রাইমারি থেকে সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ঝামেলা রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করছি প্রাইমারি স্কুলগুলোতে সুবিশাল ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে ছাত্র-ছাত্রী বাড়েনি। বরং কমেছে। বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়া হলেও সেখানে কোনভাবে শিক্ষার্থী বাড়ছে না। এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। কমে গিয়ে এসব শিক্ষার্থী যাচ্ছে কোথায়? দেখলাম তারা এলাকায় গড়ে ওঠা ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ও কওমি মাদ্রাসায় বেশি ভর্তি হচ্ছে। কওমি মাদ্রাসা খুলতে কোন অনুমোদন লাগে না। কেউ দিতে চাইলেই হলো। এর কারণ আমি খুঁজে পাই না। অথচ বিনামূল্যে শিক্ষার পরিবর্তে টাকা দিয়ে কেন কওমি মাদ্রাসাগুলোতে যাচ্ছে, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ