ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বার্তা পৌঁছে দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান।
বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের বিষয়ে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং বৈঠক সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে তথ্য দিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানায়, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরসূচিতে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকটি যুক্ত করা হয়।
ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকে প্রিন্স খালিদ জানান, সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে। যদিও চলতি সপ্তাহেই আমেরিকা ও সৌদি আরব যৌথভাবে ইরানপন্থী ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে।
সূত্রটি জানায়, এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার অন্যতম প্রধান মিত্র। গত পাঁচ মাসে বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রিয়াদ একাধিকবার ট্রাম্পের ইরাননীতি প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভাই ও ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন প্রিন্স খালিদের গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ইরাকে হামলার কারণে তিনি ওই সফর পিছিয়ে দেন।
এর আগে মঙ্গলবার সৌদি সামরিক বাহিনী ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড, সেন্টকম যৌথভাবে ইরাকে ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের ওপর হামলা চালায়।
সেন্টকমের দাবি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নির্দেশনায় পরিচালিত মিলিশিয়াদের মাধ্যমে সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে চালানো ৩০টির বেশি ড্রোন হামলার জবাবে ওই হামলা চালানো হয়েছে।
পরে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও হামলায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। মন্ত্রণালয় জানায়, সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে হামলাটি পরিচালিত হয়েছে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস










