মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মুহুর্মুহু গুলির পাশাপাশি একের পর এক মর্টারশেল বিস্ফোরণে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। উৎকণ্ঠায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা। এর মধ্যে বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তে যেমন দুটি মর্টারশেল এসে পড়েছে, তেমনি আকাশ-সীমায় চক্কর দিচ্ছে একাধিক হেলিকপ্টার। এ অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মিয়ানমারের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে ভেসে আসছে মুহুর্মুহু গুলির শব্দ। থেমে থেমে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে বান্দরবানের তমব্রু সীমান্ত এলাকা থেকেও। আবার বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে উড়ছে মিয়ানমারের একাধিক হেলিকপ্টার। এগুলো উড়ার সময়ও বন্ধ হচ্ছে না গুলির শব্দ। বরং গুলির মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
গত কয়েকদিন ধরে এ গুলি এবং মর্টারশেল বিস্ফোরণের শব্দে চরম আতংকে দিন কাটছে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশিদের। এর মধ্যে রোববার( ২৮ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে পড়ে মিয়ানমারের দুটি অবিস্ফোরিত মর্টারশেল। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রাণভয়ে শংকিত স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলেন, প্রতিদিন আওয়াজ পাচ্ছি। আমরা প্রচণ্ড ভয়ে আছি। যে কোন সময় খুবই খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে।
এর আগে একবার মিয়ানমার থেকে উড়ে আসা বুলেট তমব্রু সীমান্তের একটি স্কুলে আঘাত হানে। আর উপর্যুপরি গুলির শব্দে শিক্ষার্থীরাও আতংকের মধ্যে রয়েছে। ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম বলেন, এমনভাবে গোলাগুলি হচ্ছে আমাদের বাড়ি ঘর কেঁপে উঠছে। খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি।











