প্রশাসন যদি ন্যায়বিচারের পথ ছেড়ে জালিমের ভূমিকা পালন করে, তাহলে তা মেনে নেওয়া হবে না এবং জনগণ তা রুখে দাঁড়াবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রশাসন ন্যায়সংগত ও জনকল্যাণমূলক কাজে সবসময় জনগণের সহযোগিতা পাবে। তবে প্রশাসন যদি জালিমের ভূমিকা পালন করে, তাহলে জনগণ তা রুখে দাঁড়াবে। অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলের মতো প্রশাসন অন্যায়ের পক্ষ নিক, তারা তা চান না।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষের পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন ও চলাচলের উপযোগী রাখা যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনি ফুটপাতের প্রান্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। উপযুক্ত বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ অভিযান না চালিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে আলোচনা করলে সংঘাত এড়ানো সম্ভব হতো।
তিনি আরও বলেন, অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে চাঁদা আদায় করছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও আর্থিক বোঝা বাড়ছে। শহর কিংবা দেশে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি ও মাদকের ব্যবসা বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি।
উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে হতাহত এবং সরকারি ও স্থানীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে দুঃখ প্রকাশ করে সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনার ভিত্তিতে মানবিক ও বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মিরপুরের ঘটনায় তিনি শান্ত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন।











