গত ২৮ জুলাই, শুক্রবার, বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেইটে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ “শান্তি সমাবেশ” শেষে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিরীহ হাফেজ রেজাউল করিম নির্মমভাবে নিহত হওয়ার প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্র মজলিস।
আজ সোমবার (৩১ জুলাই) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, হাফিজ রেজাউল করিম জামেয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদরাসার ছাত্র। পারিবারিক সূত্রে জেনেছি সে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা বা কর্মী ছিল না। নিজেদের দলীয় কোন্দলের বলির পাঠা বানানো হলো নিরীহ এই শিক্ষার্থীকে। একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর উপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলা এদেশের ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। অনতিবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।
তিনি বলেন, দেশে ভিন্ন মতের মানুষদের ওপর নির্যাতন ও হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে পাশাপাশি ইদানীং ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে হামলা-মামলার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের দ্বারা সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষ নির্যাতিত হচ্ছেন। এসব বর্বর হামলার ঘটনায় আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার ভেতরে যে ক্ষতগুলো সৃষ্টি হয়েছে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে বলে আমরা মনে করি। এই ক্ষত নিরাময়ের জন্য ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি।
মহানগর উত্তর সভাপতি মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক কে এম ইমরান হুসাইন, প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর হোসাইন, বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাইল খন্দকার, অফিস সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাহাব উদ্দিন খন্দকার, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ খন্দকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কাওছার আহমদ সোহাইল প্রমুখ।











