নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাবার কোলে জান্নাতুল ফেরদাউস তাসপিয়াকে (৪) গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. রিমন (২৫) পাঁচ দিন আগেও এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর তলপেটে লাথি মেরেছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে এ বিষয়ে ওই নারীর পরিবার থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। তবে পুলিশ বলছে, হাজীপুরের সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিযোগ করা হয়নি।
এ বিষয়ে হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কয়েক দিন আগে আমার ভাই খুরশিদ আলম আমাদের একটি জমির মাটি বিক্রি করেন একই এলাকার মো. বাদশার কাছে। মাটি কেটে নেওয়ার সময় ছয় ফুট গভীর করে মাটি কাটেন বাদশা। আমি এর প্রতিবাদ করি। এর জের ধরে বাদশা পাঁচ দিন আগে রিমন, মহিনসহ একদল সন্ত্রাসীকে ভাড়া করে আমার বাড়িতে গুলি করেন ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। এ সময় আমার চার মেয়ে এগিয়ে আসে। এক মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার তলপেটে লাথি দেয় রিমন। আরেক মেয়ের পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তখন আমাকেও মারধর করে রিমন। ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার পর উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি গুলির খোসাও উদ্ধার করেন। কিন্তু আমার অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি পুলিশ।











