ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৯৯৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত জেরুজালেমের ১৩ হাজার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের বসবাসের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে।
আজ সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) ইসরাইলী দৈনিক পত্রিকা হারেৎজের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে।
ইহুদিবাদ দখলদার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এই ফিলিস্তিনিরা আর জেরুজালেমে বসবাস করতে পারবে না। তাদের বিদেশে অথবা পশ্চিম তীরে চলে যাওয়া উচিত।
বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংস্থাগুলি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইসরাইলের সুপ্রিম কোর্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের বিরুদ্ধে বসবাস থেকে বঞ্চিত জেরুজালেমবাসীর পক্ষে পিটিশন জমা দিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট তার সিদ্ধান্তে বলেছে, জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের এই ভূমিতে থাকার অধিকার রয়েছে। তারা এই ভূমির আদিবাসী। তাই তাদের অভিবাসী হিসাবে গণ্য করা উচিত নয়।
এসত্ত্বেও ইসরাইলী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিলিস্তিনিদের আবাসিক পারমিট ছিনিয়ে নিয়ে বহিষ্কারের নীতি অব্যাহত রেখেছে।
পত্রিকাটি আরো জানায়, দখলদার ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার ও নিপীড়ন করার পরেও আন্তর্জাতিকভাবে যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিল্ডিং পারমিট না থাকার কারণে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীরা দখলকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দাদের শত শত বাড়ি ভেঙে দিয়েছে।
ফিলিস্তিনে ইহুদীবাদীদের দখলদারিত্বকে শক্তিশালী করতে ও ভবিষ্যৎ প্রতিরোধ ঠেকাতে খুব সল্প সংখ্যক ফিলিস্তিনিদের বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দেয় ইসরাইলী প্রশাসন।
তাই, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের হয় তাদের বাড়ি প্রসারিত করতে হয় অথবা দখলদার ইসরাইলিদের অনুমতি ছাড়াই নতুন বাড়ি নির্মাণ করতে হয়।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে ৬ লক্ষ ইসরাইলী অবৈধভাবে বসবাস করছে।
সূত্র: মিডিল ইস মনিটর











