spot_img

পাঠ্য পুস্তকে ভুল ও আপত্তিকর বিষয়সমূহ সংশোধন করতে হবে : মাওলানা ইসহাক

খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, নতুন শিক্ষা কারিকুলা ও পাঠ্য পুস্তকে ভুল ইতহাস সন্নিবেশিত করে আগামী প্রজন্মকে আত্মপরিচয়ের সংকটে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৬ষ্ঠ- ৭ম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইতে বাংলার মুসলিম শাসকদের ইতিহাস ও অবদান খাটো করা হয়েছে। ৯২ ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের
বিবর্তনবাদের মত বিতর্কিত ও ইসলাম বিরোধী মতবাদ শেখানো হচ্ছে। বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের লেখা সংকুচিত করা হয়েছে। সমাজে ও রাষ্ট্রে নৈতিকতার চরম সংকট চলছে। এ অবস্থায় শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে ইসলাম তথা ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন ছিলো। নতুন কারিকুলামে তা সংকুচিত করা হয়েছে। বোর্ড পরীক্ষায় ধর্ম শিক্ষা বাদ দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে নতুন শিক্ষা কারিকুলাম ও পাঠ্য পুস্তকে সন্নিবেশিত ভুল ও আপত্তিকর বিষয়সমূহ সংশোধন করতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের চেতনা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির আলোকে পাঠ্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) খেলাফত মজলিসের সন্ধ্যা ৬টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে গ্রাহক পর্যায়ে ১৫% হারে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সরকারী তৎপরতার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নতুন করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতা বন্ধের দাবী জানিয়ে মাওলানা ইসহাক বলেন, নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর আকাশ ছোঁয়া মূল্যে সাধারণ জনগণের নাভি:শ্বাস উঠেছে। এ অবস্থায় গ্রাহক পর্যায়ে নতুন করে ১৫% হারে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে জনজীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পরবে। তাই সরকারকে অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

আমীরে মজলিস মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাকের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্মমহাসচিব-এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মুহাম্মাদ আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, তাওহিদুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ