জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, মানুষের ইহকালীন শান্তি এবং পরকালীন মুক্তির একমাত্র সনদ হচ্ছে ইসলাম। যা মানুষের জন্য একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মানুষের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সর্বত্র প্রতিষ্ঠা লাভই ইসলামের অন্তর্নিহিত দাবি। ইসলাম মানব সমাজকে মানুষের প্রভুত্বের যাঁতাকল থেকে মুক্ত করে আল্লাহর প্রভুত্ব ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে সুখী সুন্দর জীবন যাপনের সুযোগ করে দেয়। কাজেই মানুষের প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি ও একমাত্র ইসলামের মাধ্যমেই সম্ভব। আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশের সবুজ জমিনে সেই ইসলামকে বিজয়ী করার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সবুজবাগ-মুগদা জোনের উদ্যোগে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতের অগ্রসর কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাসুদ বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে দুনিয়ার জাহেলিয়াত মোকাবেলা করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই। তাই দ্বীনকে জীবনের উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেই ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের সামনে অগ্রসর হতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, একজন মুসলমান হিসেবে নিজেদেরকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর মধ্যেই আল্লাহর সন্তুষ্টি নিহিত রয়েছে। কারণ, ঈমানদাররা তাদের জান ও মালকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিজেদের কাছে রক্ষিত আমানত হিসেবেই জানে। এজন্য জান ও মালকে আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজে ব্যয় করার চেস্টা চালাতে হবে। দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধন ও যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে হবে। আন্দোলনের চুড়ান্ত বিজয়ের জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার হরণ করা হয়েছে। এই ক্রান্তিকালে দেশের ও জাতির প্রয়োজনে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে সম্মুখে থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জোন পরিচালক মু. শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে শিক্ষাশিবিরে আরও বক্তব্য প্রদান করেন মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও জোনের সহকারী পরিচালক আবু নাবিল, মহানগরীর মজলিসে শুরার সদস্য আব্দুল বারী, মাওলানা মতিউর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অত্র জোনের বিভিন্ন থানার আমীর, সেক্রেটারি সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।










