গাজ্জায় ৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইরত ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
বুধবার (২২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় হামাস।
বিবৃতিতে বলা হয়, গাজ্জায় ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞ দীর্ঘায়িতকরণ এবং স্থিতিশীলতা আনয়নে ইহুদিবাদী ইসরাইলের কালক্ষেপণ সত্ত্বেও ময়দানে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্মত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের আগ্রাসনের মোকাবেলায় আমাদের জনগণের দৃঢ়তাকে শক্তিশালী করতে ও জনগণের সেবার লক্ষ্যে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলনের ভিশন ও পরিকল্পনা মোতাবেক যুদ্ধবিরতির আলোচনায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি আমরা।
গাজ্জায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইরত হামাসের বিবৃতি অনুসারে নিম্নোক্ত ৭টি শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সংগঠনটি।
১. এটি উভয় পক্ষের সম্মতিতে সম্পাদিত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও ৪ দিনের জন্য গাজ্জার যেকোনও অংশে ইহুদিবাদী দখলদার সেনাদের সামরিক কর্মকাণ্ডের সমাপ্তি।
২. যুদ্ধবিরতির সময়কালে ইহুদিবাদী দখলদারেরা গাজ্জা উপত্যকার যেকোনও অংশে কাউকে আক্রমণ ও গ্রেফতার না করার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।
৩. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী সড়ক দিয়ে গাজ্জার উত্তর থেকে হোক কিংবা দক্ষিণ থেকে সকলের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
৪. যুদ্ধবিরতির পুরো সময়ে দিনে ৬ ঘন্টা করে দক্ষিণ ও উত্তরাংশে বিমান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে।
৫. ইসরাইলী কারাগারে বন্দী ১৫০ ফিলিস্তিনি নারী-শিশুর বিপরীতে আমাদের হাতে আটক থাকা ৫০ জনকে মুক্তি দেওয়া হবে।
৬. গাজ্জার সর্বত্র ত্রাণ, মেডিকেল, চিকিৎসা, জ্বালানি ও মানবিক সহায়তার শত শত ট্রাক প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৭. গাজ্জায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের সামরিক যানের অনুপ্রবেশ ও সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে বিরত থাকতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে, আমরা শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও দৃঢ়তার সাথে জানাচ্ছি যে, জনগণকে রক্ষায় আমাদের বাহিনী তৎপর থাকবে। আমাদের আঙুল ট্রিগারে থাকবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











