ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মাঝে একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী, ৫০ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব বন্দীদের মধ্যে বেশিরভাগই অন্যান্য দেশের নাগরিক বলে জানিয়েছেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মুসা আবু মারজুক।
বুধবার (২২ নভেম্বর) প্যালেস্টাইন টুডে নিউজ চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি জানান তিনি।
তিনি বলেন, চুক্তিপত্র তৈরীর সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। তবে হামাস ইসরাইলের উপর তার কাঙ্খিত শর্ত চাপিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ তিনি গাজ্জায় মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, গাজ্জা উপত্যকার সকল স্থানে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিরোধিতা করেছিল দখলদার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। কারণ ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর কোনও মানবতাবোধ নেই। তবে গাজ্জার সকল স্থানে যেন মানবিক সহায়তা পৌঁছে যায় এমন শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করেছি আমরা।
মুসা আবু মারজুক বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ৫০ জন যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে, বিনিময়ে ইসরাইলি কারাগারে থাকা ১৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে দখলদার সরকার। তবে এ সমস্ত বন্দী হবে নারী ও শিশু; যাদের বয়স ১৯ বছরের কম হবে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করার জন্য মিশরের প্রশংসাও করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, তেল আবিবের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর সফল অভিযানের পর ইসরাইল থেকে ২৪০ জনকে যুদ্ধবন্দী করে নিয়ে যায় হামাস। এছাড়াও প্রতিরোধ যোদ্ধাদের আক্রমণে ১ হাজার ৪০০ জন অবৈধ বসতিস্থাপনকারী ও ইসরাইলি সেনা নিহত হয়।
সূত্র: প্রেস টিভি











