বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে গত ৫ আগস্ট গাজীপুরে গণমিছিলে অংশ নিয়েছিলেন পোশাকশ্রমিক মুহাম্মাদ আয়াতুল্লাহ। তবে এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ১১ দিন পর তার লাশ পেয়েছে স্বজনেরা।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দু’জন সমন্বয়কের সহায়তায় রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার লাশ শনাক্ত করেন তার বড় ভাই সোহাগ মিয়া। পরে আজ বিকেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে আয়াতুল্লাহর লাশ বুঝিয়ে দেয়।
জানা যায়, নিহত আয়াতুল্লাহর বাড়ি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের জলুষা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের কৃষক মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ৫ আগস্ট বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তিনি গাজীপুরের সফিপুর আনসার একাডেমির সামনে গণমিছিলে অংশ নিয়ে নিখোঁজ হন। ওই দিন আনসার একাডেমির সামনে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর তার বড় ভাই সোহাগ মিয়া গাজীপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
নিহত আয়াতুল্লাহ দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। তিনি একটি মাদ্রাসায় মিজান পর্যন্ত পড়ে সংসারের অভাব ঘোচাতে পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। ছাত্র–জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।











