spot_img
spot_img

তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী বৈদেশিক নীতি অবলম্বন করবে মিশরের স্বৈরশাসক সিসি

ইনসাফ | নাহিয়ান হাসান


তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী বৈদেশিক নীতি অবলম্বন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে মিশর স্বৈরশাসক ও বিশ্বাসঘাতক আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সরকার।

মিশরের মূল মনযোগের বাইরে থাকা আফ্রিকার সাহিল সহ অন্যান্য সব অঞ্চলকে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে ধরে নিয়ে নিজেদের বৈদেশিক নীতিতে অগ্রাধিকার পাওয়া তালিকার শীর্ষে আঙ্কারার বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী বৈদেশিক নীতিকে যুক্ত করেছে তারা।

দা ইন্টেলিজেন্স অনলাইন ওয়েবসাইটের তথ্যমতে লিবিয়া এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলগুলোর পর মিশর এখন আফ্রিকার সাহিল অঞ্চলেও নিজ সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে পরেছে।

এছাড়া জানুয়ারির শুরুতে, সমন্বিত স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আফ্রিকার দেশ মালিতে নিয়োজিত থাকা জাতিসংঘের বহুমাত্রিক শান্তিরক্ষী বাহিনীর মিশরীয় অংশে কৌশলগতভাবে তুরস্ককে ঠেকাতে সেনা উপস্থিতি বাড়ানোরও ঘোষণা দিয়েছিলো বিশ্বাসঘাতক সিসিরি সরকার।

সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর কারণ হিসেবে সাহিল অঞ্চলের মৌরিতানিয়া, চাদ, মালি, বুর্কিনা ফাসো এবং নাইজারের পাঁচ রাষ্ট্রীয় সম্মিলিত বাহিনী ‘জি ফাইভ’ এর সেনাদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের দাবি তোলে মিশর।

স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নামে মিশর ওই অঞ্চলগুলোতে তুরস্কের শক্তিশালী অবস্থান রোধে অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়ে পরছে। বিশেষত, ওই অঞ্চলগুলোর অর্থনৈতিক খাতে তুরস্কের জোরালো উপস্থিতিতে স্বৈরশাসক সিসির সরকার খুবই বিচলিত!

অপরদিকে সিসিরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, সিসিসিপিএ‘র পক্ষ থেকে কয়েকজন দূতকে তারা আফ্রিকার সাহিল অঞ্চলে প্রেরণ করেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ