ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়ায় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার অনুমতি বাতিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনা ফ্রড প্র্যাকটিস। কারণ, কামরুল ইসলাম অসুস্থতার ভান করে পিজি হাসপাতালের পরিবর্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া, সেখান থেকে তার মতো করে রিপোর্ট বানিয়ে নিয়ে আসা এবং সেখান থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা নেওয়া বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ব্যাহত করাসহ নানান উদ্দেশ্য থেকে তিনি এ জাতীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকতে পারেন।
গত ৯ এপ্রিল কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালের রিপোর্ট দেখিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার অনুমতি নিয়েছিলেন কামরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জানা যায়, ওই মেডিকেল রিপোর্টটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া।
অনুমতি না থাকলেও কারাগারে অবস্থান করে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ট্রাইব্যুনাল। পরে বেসরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসার অনুমতি বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে তার আইনজীবীদের কাছে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার অসুস্থতার কথা বলে আদালতে আসতে চাননি কামরুল ইসলাম। তবে প্রসিকিউশনের নির্দেশের পর তাকে হাজির করা হয়। পরে জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলায় সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।











