spot_img

নির্বাচনের পুরোটা সময় দোয়া ও দুরুদ পড়েছি : রুমিন ফারহানা

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর নির্বাচনি লড়াইয়ের পেছনের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। নেক্সাস টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘দ্য আরজে কিবরিয়া শো’-তে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নির্বাচনের কঠিন সময়টিতে তিনি আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছিলেন এবং ফলাফল ঘোষণার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দোয়া ও দুরুদ পাঠ করেছেন।

সাক্ষাৎকারে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার এই জয়টা আমি আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে এসেছি। আমি আল্লাহকে শুধু একটা কথাই বলেছি, আল্লাহ, আপনি আমাকে লজ্জিত করবেন না, আপনি আমাকে অপমানিত করবেন না। কারণ আমার নিয়ত কেউ জানে না, আপনি জানেন আমি কেন এমপি হতে চেয়েছি।”

সংরক্ষিত নারী আসনে বা আপসের মাধ্যমে সহজে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ থাকার পরও কেন তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, এটি ছিল তাঁর আত্মসম্মান ও মর্যাদার লড়াই। তিনি বলেন, “আমি তো অনেক সহজেই সংরক্ষিত কোটায় গিয়ে হয়তো একটা বার্গেইন করে মন্ত্রীও হয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আমি কেন এই মর্যাদার লড়াইটা লড়ছি, সেটা আল্লাহ জানেন।”

নির্বাচনের সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “পুরোটা সময়, রেজাল্ট বের হওয়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি কনস্ট্যান্টলি দোয়া পড়েছি। পুরা ইলেকশন সময়টা আমি দোয়া পড়েছি, দুরুদ পড়তাম সারাক্ষণ, এখনো পড়ি। আমি মনে করি এটা আল্লাহর মেহেরবানী, উনি যে রহমানুর রহিম, এটা তারই নিদর্শন।”

দল থেকে মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টিকেও ইতিবাচকভাবে দেখছেন রুমিন ফারহানা। তাঁর ভাষ্য, এতে তিনি সাধারণ মানুষের দোয়ার অংশীদার হতে পেরেছেন। দেশের নানা প্রান্তের মানুষ, বিশেষ করে নারীরা তাঁর জন্য দোয়া করেছেন, যা তাঁকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে শক্তি জুগিয়েছে।

জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন রুমিন ফারহানা। তিনি জানান, পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতির বদলে তিনি কল্যাণমূলক রাজনীতি করতে চান। তাঁর মতে, নিজের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ