প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজ এই হাজারো মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে, এই মিডিয়ার সামনে পরিষ্কারভাবে আমি আবারও বলে দিতে চাই, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যে জুলাই সনদে সই করে এসেছে, সেই জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ আমরা এক এক করে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ। কিন্তু বারবার পরিষ্কারভাবে এই কথা বলে দেওয়ার পরেও আমরা দেখলাম যে কিছু রাজনৈতিক দল সংসদে এবং সংসদের বাইরে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু কথাবার্তা বলা শুরু করেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে, তাদের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা এক যুগের বেশি সময় ধরে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
তারেক রহমান বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই দেশের মানুষের বাক-স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। সকল প্রকার রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, হরণ করা হয়েছিল তাদের ভোটের অধিকার। আমরা দেখেছি কীভাবে উন্নয়নের নামে প্রতারণা ও লুটপাট করা হয়েছে। অথচ আমরা নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই কাজের বাস্তবায়ন আমরা পর্যায়ক্রমে শুরু করেছি ।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের সঞ্চালনায় জনসভার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
বিকাল পৌনে ৫ টায় প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে এসে পৌঁছালে হাজারো সমর্থক মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে সরকার প্রধানকে শুভেচ্ছা জানান। হাস্যোজ্জ্বল প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। জেলা বিএনপি এ জনসভার আয়োজন করে। জনসভার আশেপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জনতার ঢল নামে। প্রধনামন্ত্রীর নিজ এলাকায় আগমন উপলক্ষ্যে মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।











