ইমারাতে ইসলামিয়ার সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রী মোল্লা নূরুল্লাহ নূরী বলেছেন, আফগানিস্তানে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধ-সংঘাতের পর জনগণ ক্লান্ত। তারা আর যুদ্ধ ও নিরাপত্তাহীনতার ধারাবাহিকতা চায় না।
বাদাখশান প্রদেশের একটি জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নূরুল্লাহ নূরী বলেন, দেশের ভেতরে রেজিস্ট্যান্স নামে পরিচিত গোষ্ঠী এবং আইএসআইএসের কোনো দৃশ্যমান উপস্থিতি বা কোনো ভিত্তি নেই। তাদের কর্মকাণ্ড মূলত প্রচারেই সীমাবদ্ধ।
তিনি বলেন, এসব গোষ্ঠী প্রতি বসন্তে নতুন করে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেয়, যাতে বাইরে থেকে সমর্থন পাওয়া যায়। তবে বাস্তব পরিস্থিতি তাদের এসব দাবির সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসলামি ব্যবস্থার সঙ্গে যেকোনো ধরনের মুখোমুখি অবস্থান শুধু ক্ষতি ও অনিশ্চয়তা বয়ে আনবে। মতপার্থক্য নিরসনের জন্য আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে।
বিদেশে অব্স্থানরত আফগান নাগরিকদের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের দেশে ফিরে এসে সংলাপের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আফগান সীমান্তমন্ত্রী বলেন, ৪৮ বছরের যুদ্ধ ও অস্থিরতার পর আফগানিস্তানকে এখন বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
তিনি দাবি করেন, কোনো বিদেশি দেশের সঙ্গে ইমারাতে ইসলামিয়ার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কিন্তু কিছু দেশ আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে।
পাকিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করে নূরুল্লাহ নূরী বলেন, দেশটি আফগানিস্তানে নেতিবাচক ও ক্ষতিকর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে এবং বিদেশি শক্তির নির্দেশে কাজ করছে।
তিনি তথাকথিত ডুরান্ড লাইনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তার মতে, এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে এটিকে আনুষ্ঠানিক সীমান্ত হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এটিকে একটি ‘জাতীয় বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সূত্র: তোলো নিউজ











