ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। এ লক্ষ্যে ইসরাইলে আরও কয়েক ডজন জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে নতুন সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং পিকঅ্যাক্স মাউন্টেইনের ভূগর্ভস্থ একটি স্থাপনা। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে নিতে চাপ বাড়াতেই হামলার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে টানা পঞ্চম দিনের মতো হরমুজ প্রণালি ও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মার্কিন হামলা অব্যাহত রয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্দর আব্বাসের আশপাশের অন্তত সাতটি সেতুতে হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে, তারা জর্ডান, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
বর্তমানে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রেমন বিমানঘাঁটিতে প্রায় ৬০টি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান রয়েছে। শিগগিরই আরও কয়েক ডজন বিমান পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরাইলি কর্মকর্তারা।
তবে বিপুল সংখ্যক সামরিক বিমান মোতায়েনের কারণে বেসামরিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে ইসরাইলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।










