কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করছে।”
মনিরুল হক চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আইনি কাঠামোর বিষয়ও তুলে ধরেন।
তিনি জানান, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ২০০৬ সালে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে দাওরায়ে হাদিসের সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির সমমান দিয়ে ২০১৮ সালে আইন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ২৩ জুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ সংশোধন করে সহকারী মৌলভী (ক্বারী) ও ইবতেদায়ী ক্বারী পদে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এর ফলে দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রির পাশাপাশি ইলমে কিরাআত বা হিফজুল কোরআনের সনদধারীদেরও এসব পদে নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চারটি লিখিত ও ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।











