ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীর অগ্রগতি ঠেকাতে আমেরিকার কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছেন সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ বিন সালমান। তবে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি আমেরিকার হামলায় সম্মতি দেয়নি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রয়টার্স জানায়, সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সূত্রগুলো জানায়, বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজের মধ্যে অন্তত দুবার ফোনে কথা হয়। একই দিন আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারও সৌদি আরব সফর করেন।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হুথি বাহিনী ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে শুক্রবার বাব আল-মান্দাব প্রণালির কৌশলগত পেরিম দ্বীপে পৌঁছেছে। ইয়েমেন সরকারের চারটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। একই সময়ে হুথিরা পেরিমের বিপরীতে থাকা উপকূলীয় শহর ধুবাবেও পৌঁছেছে বলে দুটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
হুথিদের এই অগ্রগতিতে বাব আল-মান্দাব প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় সৌদি আরবের জন্য লোহিত সাগরপথের গুরুত্বও বেড়েছে।
এর আগে জুলাইয়ে সৌদি আরব আমেরিকাকে জানিয়েছিল, তারা একাই হুথিদের মোকাবিলা করতে সক্ষম এবং সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ুক, তা তারা চায় না। বর্তমান পরিস্থিতিতে রিয়াদ এখন হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটনের সহায়তা চাইছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দাব ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচল নিরাপদ থাকবে। সৌদি জাহাজের ওপর আগে ঘোষণা করা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
সূত্র : রয়টার্স












